Tue. Jul 14th, 2020

mytraveladvisor.co.in

Tour, Travel Expert and Influencer

জয়ন্তীর রূপে মজবেন, প্রেমে পড়বেন ডুয়ার্সের রানীর | The queen of Dooars (Jayanti)

1 min read
জয়ন্তীর রূপে মজবেন, প্রেমে পড়বেন ডুয়ার্সের রানীর | The queen of Dooars (Jayanti)

জয়ন্তীর রূপে মজবেন, প্রেমে পড়বেন ডুয়ার্সের রানীর | The queen of Dooars (Jayanti)

জয়ন্তীর রূপে মজবেন, প্রেমে পড়বেন ডুয়ার্সের রানীর | The Queen Of Dooars (Jayanti)
বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে আলিপুরদুয়ার জেলার জয়ন্তী ‘ডুয়ার্সের রানীর’ তকমা অর্জন করেছে।জঙ্গল,নদী ও পাহাড়ের এমন মেলবন্ধন সত্যিই বিরল।সৃষ্টিকর্তা যেন দীর্ঘ সময় ধরে নিজ হাতে রং তুলি দিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন জয়ন্তীকে।
 ‘সতীর 51 পীঠ’ হিন্দু ধর্মের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।কথিত আছে আছে যে এই 51 পীঠের এক পীঠ হলো জয়ন্তী।এখানেই পড়েছিল দেবী সতীর বাম জঙ্ঘা।এখানে দুর্গম জঙ্গলের মধ্যে পাহাড় চূড়ায় তিনটি চুনাপাথর গঠিত গুহা রয়েছে।চুনাপাথর দ্রবীভূত জল গুহার ছাদ চুঁইয়ে চুঁইয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি।প্রথম গুহায় ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর,দ্বিতীয় গুহায় বাবা ভোলানাথ ও তৃতীয় গুহায় গড়ে উঠেছে  মহাকালীর মূর্তি।শিবরাত্রির সময় পুণ্যার্থীরা পায়ে হেঁটে তীর্থযাত্রা করে মহাকাল  গুহায় পুজো দিতে যান।তবে ভূগোলের ভাষায় এই সব গুহা মূর্তি গুলোকে স্ট্যালকটাইট ও স্ট্যালাগমাইট বলা হয়।
জয়ন্তীর রূপে মজবেন, প্রেমে পড়বেন ডুয়ার্সের রানীর | The queen of Dooars (Jayanti)
জয়ন্তীর রূপে মজবেন, প্রেমে পড়বেন ডুয়ার্সের রানীর | The queen of Dooars (Jayanti)
পাশেই উঁচু পাহাড় থেকে নেমে এসেছে কয়েকটি নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক ঝর্ণা।নীচে বয়ে চলেছে সুন্দরী খরস্রোতা জয়ন্তী।তবে জয়ন্তীর কোথাও কোথাও হালকা জলের স্রোত দেখা গেলেও বেশির ভাগটাই শুষ্ক ও রুক্ষ।বর্ষাকালে অবশ্য এই জয়ন্তী ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে,তাই এই সময় মহাকাল যাওয়ার রাস্তা থাকে না।শীত কাল পড়লে নদী শুকিয়ে যায় এবং নদী বক্ষ দিয়ে ছোট মহাকাল যাওয়ার অস্থায়ী রাস্তা তৈরি হয়।
যাবেন কীভাবে? 
 আলিপুরদুয়ার থেকে জয়ন্তী গামী বাস ছাড়ে সকাল ৭টা ও দুপুর দুটো নাগাদ। ভাড়া মাত্র ৩০ – ৪০ টাকা। ফোর হুইলার ভাড়া করেও যেতে পারেন,এর জন্য অতিরিক্ত ৩০০ টাকা এবং মাথা পিছু ১০০ টাকা দিয়ে গেট পাস নিতে হবে।আলিপুরদুয়ার থেকে জয়ন্তী প্রায় ৩০ কিলোমিটার ‘বক্সা জঙ্গল’র ঘন ছায়ায় বাইক রাইডের অসাধারণ অনুভূতি পাবেন।
তবে রবিবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন বাইক নিষিদ্ধ।জয়ন্তী থেকে ছোট মহাকাল পর্যন্ত জয়ন্তীর পাথুরে বক্ষ দিয়ে ‘জিপসি’ করে যাওয়া যায়।ছোট মহাকাল থেকে অত্যন্ত বন্ধুর ও চড়াই-উতরাই পথ বেয়ে পায়ে হেঁটে মানে ট্রেকিং করেই বড় মহাকাল যেতে হবে।স্থানীয় গাইড দের সাহায্য নিতে পারেন।তাঁরা স্বল্প খরচে খুব ভালো পরিষেবা দিয়ে থাকেন।
আলিপুরদুয়ার জেলা হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি বিভাগের পাঁচটি জেলার অন্যতম। ২০১৪ সালের ২৫ জুন এই জেলা গঠিত হয়। আলিপুরদুয়ার পুরসভা এবং মাদারিহাট–বীরপাড়া, আলিপুরদুয়ার–১, আলিপুরদুয়ার–২, ফালাকাটা, কালচিনি ও কুমারগ্রাম–এই ছয়টি ব্লক নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা গঠিত। এই জেলায় ৬৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ৯টি সেন্সাস টাউন আছে। জেলার সদর আলিপুরদুয়ার। আলিপুরদুয়ার জেলার থানাগুলি হল আলিপুরদুয়ার, শামুকতলা,
জয়ন্তীর রূপে মজবেন, প্রেমে পড়বেন ডুয়ার্সের রানীর
বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে আলিপুরদুয়ার জেলার জয়ন্তী ‘ডুয়ার্সের রানীর’ তকমা অর্জন করেছে।জঙ্গল,নদী ও পাহাড়ের এমন মেলবন্ধন সত্যিই বিরল।সৃষ্টিকর্তা যেন দীর্ঘ সময় ধরে নিজ হাতে রং তুলি দিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন জয়ন্তীকে।
  ‘সতীর 51 পীঠ’ হিন্দু ধর্মের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।কথিত আছে আছে যে এই 51 পীঠের এক পীঠ হলো জয়ন্তী।এখানেই পড়েছিল দেবী সতীর বাম জঙ্ঘা।এখানে দুর্গম জঙ্গলের মধ্যে পাহাড় চূড়ায় তিনটি চুনাপাথর গঠিত গুহা রয়েছে।চুনাপাথর দ্রবীভূত জল গুহার ছাদ চুঁইয়ে চুঁইয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি।প্রথম গুহায় ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর,দ্বিতীয় গুহায় বাবা ভোলানাথ ও তৃতীয় গুহায় গড়ে উঠেছে  মহাকালীর মূর্তি।শিবরাত্রির সময় পুণ্যার্থীরা পায়ে হেঁটে তীর্থযাত্রা করে মহাকাল  গুহায় পুজো দিতে যান।তবে ভূগোলের ভাষায় এই সব গুহা মূর্তি গুলোকে স্ট্যালকটাইট ও স্ট্যালাগমাইট বলা হয়।
পাশেই উঁচু পাহাড় থেকে নেমে এসেছে কয়েকটি নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক ঝর্ণা।নীচে বয়ে চলেছে সুন্দরী খরস্রোতা জয়ন্তী।তবে জয়ন্তীর কোথাও কোথাও হালকা জলের স্রোত দেখা গেলেও বেশির ভাগটাই শুষ্ক ও রুক্ষ।বর্ষাকালে অবশ্য এই জয়ন্তী ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে,তাই এই সময় মহাকাল যাওয়ার রাস্তা থাকে না।শীত কাল পড়লে নদী শুকিয়ে যায় এবং নদী বক্ষ দিয়ে ছোট মহাকাল যাওয়ার অস্থায়ী রাস্তা তৈরি হয়।
যাবেন কীভাবে?
 আলিপুরদুয়ার থেকে জয়ন্তী গামী বাস ছাড়ে সকাল ৭টা ও দুপুর দুটো নাগাদ। ভাড়া মাত্র ৩০ – ৪০ টাকা। ফোর হুইলার ভাড়া করেও যেতে পারেন,এর জন্য অতিরিক্ত ৩০০ টাকা এবং মাথা পিছু ১০০ টাকা দিয়ে গেট পাস নিতে হবে।আলিপুরদুয়ার থেকে জয়ন্তী প্রায় ৩০ কিলোমিটার ‘বক্সা জঙ্গল’র ঘন ছায়ায় বাইক রাইডের অসাধারণ অনুভূতি পাবেন।
তবে রবিবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন বাইক নিষিদ্ধ।জয়ন্তী থেকে ছোট মহাকাল পর্যন্ত জয়ন্তীর পাথুরে বক্ষ দিয়ে ‘জিপসি’ করে যাওয়া যায়।ছোট মহাকাল থেকে অত্যন্ত বন্ধুর ও চড়াই-উতরাই পথ বেয়ে পায়ে হেঁটে মানে ট্রেকিং করেই বড় মহাকাল যেতে হবে।স্থানীয় গাইড দের সাহায্য নিতে পারেন।তাঁরা স্বল্প খরচে খুব ভালো পরিষেবা দিয়ে থাকেন।
প্রসঙ্গত , আলিপুরদুয়ার জেলা হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি বিভাগের পাঁচটি জেলার অন্যতম। ২০১৪ সালের ২৫ জুন এই জেলা গঠিত হয়। আলিপুরদুয়ার পুরসভা এবং মাদারিহাট–বীরপাড়া, আলিপুরদুয়ার–১, আলিপুরদুয়ার–২, ফালাকাটা, কালচিনি ও কুমারগ্রাম–এই ছয়টি ব্লক নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা গঠিত। এই জেলায় ৬৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ৯টি সেন্সাস টাউন আছে। জেলার সদর আলিপুরদুয়ার। আলিপুরদুয়ার জেলার থানাগুলি হল আলিপুরদুয়ার, শামুকতলা, কুমারগ্রাম, ফালাকাটা, কালচিনি, জয়গাঁ, মাদারিহাট ও বীরপাড়া।
এই জেলায় ভারতের দুটি জাতীয় উদ্যান অবস্থিত। এগুলি হল: বক্সা জাতীয় উদ্যান ও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান।, ফালাকাটা, কালচিনি, জয়গাঁ, মাদারিহাট ও বীরপাড়া।
এই জেলায় ভারতের দুটি জাতীয় উদ্যান অবস্থিত। এগুলি হল: বক্সা জাতীয় উদ্যান ও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *